জুজখোলা কেন্দ্রে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

20140925_115808

বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ এডুকেশন সোসাইটি (বিএফইএস) পরিচালিত জুজখোলা আইসিটি এন্ড কমিউনিটি ক্লাইমেট কেয়ার সেন্টার এর উদ্যোগে গত ২২ মার্চ ২০১৫ ইং তারিখ সকাল ১১.০০ টায় জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের আগাম সংকেত বিষয়ক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহাসিন শেখ। এতে জুজখোলা গ্রামের ২৪ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সভার শুরুতে ডাটা সুপারভাইজার মোঃ নুরুল আমিন সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান।

সভায় সেন্টার ম্যানেজার আবু মুসা জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে আলোচনা করেন ও দূর্যোগের আগাম সংকেত বিষয় সবাইকে অবহিত করে তিনি বলেন, কোন বড় ধরনের দুর্যোগের খবর আমরা টেলিভিশন, রেডিও সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আমরা জানতে পারি এবং জানার সাথে সাথে আমরা আমাদের ঘরের চার পাশে রশি দিয়ে বেঁধে রাখতে হবে। কারন ঘুর্ণি ঝড়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কাজ করবে। তবে আপনাদের এলাকায় একটি বিষয় বেশি পরিলক্ষিত হয় যে ঘরের পাশে বেশি গাছ দেখা যায়। এটা ঝড়ের সময় বিপজ্জনক হিসেবে কাজ করে। কারন ঝড়ের কবলে গাছ গুলো ঘরের উপরে পড়তে পারে। তাই ঘরের পাশে গাছ না থাকে সেই ব্যাবস্থা করা উচিত। তবে আমরা দুর্যোগের আগাম প্রস্তুতি হিসাবে আমাদের শুকনা খাবারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কারন দুর্যোগের সময় খাদ্যোর অভাবে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। সেই সাথে সাথে আমাদের প্রয়োজনীয় সম্পদ নিরাপদ স্থানে রাখার ব্যবস্থায় করতে হবে। আমাদের গরু ছাগল হঁাস মুরগী পশু পাখি গুলোকে নিরাপদ স্থানে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

এসময় তিনি আরও বলেন, সংকেত হিসেবে আমরা তিনটি পতাকা ব্যবহার করতে দেখতে পায়। যেমন প্রথম পতাকাটি, ১ থেকে ৩ নম্বর সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ১ থেকে ৩ নম্বর সংকেতকে সতর্ক সংকেত বলে। আর চার থেকে ছয় নম্বর সংকেতকে বিপদ সংকেত বলে। এই সময দুই নম্বর পতকা ব্যবহার করাহয় আর সাত ও তার অধিক সংকেতকে মহাবিপাদ সংকেত বলে। এই সময তিনটি পতাকা ব্যবহার করা হয়। তাই আমরা সংকেত বুঝে আগাম প্রস্থতি গ্রহণ করলে ক্ষতির মাত্র কমানো সম্ভাব হবে।

সভাপতি এ রকম একটা সভার আয়োজন করার জন্য বিএফইএসকে ধন্যবাদ জানান। এ ধরনের সভায় সবাইকে উপস্থিত হবার অনুরোধ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।